logo

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জামায়াতের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশকাল: ২৩ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:৪৩ এ.এম
মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জামায়াতের

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জামায়াতের

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার (২২ নভেম্বর) ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে ‘গত দশ বছরে শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে জামায়াতে ইসলামী কোনো ভূমিকা রাখেনি’ বলে যে মন্তব্য করেছেন তার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

শনিবার (২২ নভেম্বর) দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

তিনি বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের একজন অন্যতম বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। জাতি তার নিকট থেকে জামায়াত সম্পর্কে এ ধরনের অসত্য ও মনগড়া বক্তব্য আশা করে না। ‘গত ১০ বছরে জামায়াতে ইসলামী দৃশ্যমান কোনো আন্দোলন করেনি’ মর্মে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন, সে ব্যাপারে আমাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য হল- ২০১১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের লেলিয়ে দেওয়া পেটুয়া বাহিনী আন্দোলনরত জনতার ওপর জুলুম-নির্যাতনের যে স্টিমরোলার চালিয়েছিল; জামায়াতে ইসলামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুলে রাজপথ মুক্ত করেছিল।

এড. এহসানুল মাহবুব বলেন, এ সময় ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ ঢাকার রাজপথে আন্দোলনরত নিরীহ ছাত্রজনতার ওপর ভয়াবহ পৈশাচিক হামলা চালিয়েছিল। জামায়াতে ইসলামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রবল প্রতি গড়ে তুলেছিল।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনসংগ্রামে জামায়াতে ইসলামী কারও সঙ্গে আপোস করেনি। জামায়াত সবসময়ই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ও প্রতিবাদী ছিল। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকার জামায়াতে ইসলামীর ৫ জন শীর্ষ নেতাকে সাজানো ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসি দিয়ে হত্যা করে এবং আরও ৫ জন শীর্ষ নেতাকে বিচারের নামে প্রহসন করে কারাগারে বন্দি রেখে তিলে তিলে হত্যা করে। অপর দিকে জামায়াতে ইসলামীর তদানীন্তন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামকে প্রায় দীর্ঘ ১৪ বছর মানবতাবিরোধীঅপরাধের নামে মিথ্যা ও সাজানো মামলা দিয়ে কারাগারে আটক রেখেছিল। তিনি দীর্ঘ কারাভোগের পর আইনি লড়াই করে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে জনতার মাঝে ফিরে এসেছেন। 

dainikamarbangla